পোলা ও পোলা রে তুই অপরাধী রে/আমার যত্নে গড়া ভালোবাসা দে ফিরাইয়া দে’- গত শনিবার থেকে ফেসবুকে ভাইরাল হওয়া সেই মেয়ের পুরো নাম টুম্পা খান সুমী। পড়াশুনা করছেন বেগম বদরুন্নেসা সরকারি মহিলা কলেজে। এ বয়সেই সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে সাড়া ফেলে দিয়েছেন তিনি। টুম্পার এ গান এখন তরুণ-তরুণীদের মুখে মুখে। টুম্পার ফেসবুক অ্যাকাউন্টে পোস্ট করা গানটি এরইমধ্যে দেখে ফেলেছেন ৫০ লাখের ও বেশি মানুষ। তার ইউটিউব চ্যানেল থেকে ২৮ লাখ মানুষ গানটি দেখেছেন। গত ২৬ এপ্রিল ঈগল মিউজিক প্রকাশ করে তরুণ শিল্পী আরমান আলিফের ‘অপরাধী’ গানের মিউজিক ভিডিওটি। দুই মাস পর গিটার হাতে টুম্পা গাইলেন গানটি। গানটিতে উঠে এসেছে ভাঙা প্রেমের জলছাপ। গানের কথা ও সুর নিজের না হলেও সাবলীল গায়কী, গাওয়ার ভঙ্গি এবং গায়কীতে সারল্য ও আকুতি রাতারাতি গানটি জনপ্রিয় করে তোলে বলে মনে করছেন অনেকেই। শনিবার বিকেলে এসব বিষয়ে সমকাল অনলাইনের সঙ্গে কথা হয় টুম্পার- গানটি ভাইরাল হওয়ার কারণ কি? আমি সব সময় সফ্‌ট গান করি। গাওয়ার সময় নিজেই ইন্সট্রুমেন্ট বাজাই। তখন গানটি ভাইরাল হওয়ার কথা কল্পনাও করিনি। গানটি দরদ দিয়েই গাওয়ার চেষ্টা করেছি। জাস্ট গানটি গেয়ে দ্রুত ফেসবুক ও আমার ইউটিউব চ্যানেলে আপ করি। তারপর থেকে তো দেখলাম গানটি রীতিমতো সাড়া ফেলে দিয়েছে। দেখলাম বহু মানুষ গানটি শেয়ার দিচ্ছেন। দেশ-বিদেশ থেকে মানুষ আমাকে ফোন দিচ্ছে। সবাই আমার গায়কীর প্রসংশা করছেন। আমার ফেসবুক আইডিতে ১৫ লাখ এবং ইউটিউব চ্যানেলে গানটি ২৮ লাখ ভিউ হয়ে গেছে। এ ছাড়া কয়েক হাজার ফেসবুক অ্যাকাউন্ট থেকে গানটি শেয়ার হয়েছে। সেই সব আইডির ভিউয়ের হিসাব আমার কাছে নেই। লেখাপড়া কোথায় করছেন? আমি এবার বেগম বদরুন্নেসা সরকারি মহিলা কলেজ থেকে ইকোনমিকসে অনার্স ফাইনাল পরীক্ষা দিয়েছি। গানে হাতেখড়ি কিভাবে? আমার বাড়ি মুন্সীগঞ্জের সিরাজদিখানে। ছোটবেলা থেকে গান শুনি। শুনে শুনেই গান গাওয়া শুরু। সিরাজদিখানে গান শেখার তেমন ব্যবস্থা ছিল না। ফলে গান শেখার তেমন সুযোগ ছিল না। তবে স্থানীয় একজনের কাছ থেকে কিছুদিন তালিম নিয়েছি। নিজে গিটার বাজিয়ে গান করেন- সেটা কিভাবে শিখলেন? ইউটিউব থেকে গিটার বাজানো কিছু কৌশল জেনেছি। পরবর্তীতে গিটার নেভার লাইজ (জিএনএল) স্কুল থেকেও গিটার বাজানো শিখেছি। আপনার পরিবারে আর কে আছেন? আমার পরিবারে বাবা-মা ও দুই ভাই। বাবা-মা গ্রামেই থাকেন। বাবার স্থানীয় রেন্ট-এ কারের ব্যবসায় একটি গাড়ি আছে, তিনি নিজেই সেটি চালান। ঢাকায় আমার অনেক আত্মীয় রয়েছেন। এতোদিন এক আত্মীয়ের বাসায় থাকতাম। প্রাণ লেয়ার কর্তৃক আয়োজিত গানের প্রতিযোগিতা ‘প্রাণ লেয়ার দ্যা মায়েস্ট্রো’র সেরা ১২-এ আছি। এজন্য রিহার্সেল করতে হয় নিয়মিত। ফলে এখন এক বান্ধবীর বাসায় থাকছি। এর আগে আমি গাজী টায়ারসের ‘এগিয়ে যাচ্ছে বাংলাদেশ’ প্রতিযোগিতায় চ্যাম্পিয়ন হয়েছিলাম। ভবিষ্যৎ পরিকল্পনা কি? পড়াশুনা চালিয়ে যাওয়া এবং গান ধরে রাখাই আপাতত উদ্দেশ্য। ‘অপরাধী’ গানটি ভাইরাল হওয়ার পর থেকে অনেক সাড়া পাচ্ছি। অনেকেই ডাকছেন, তবে ভালো মানুষের সঙ্গে কাজের সুযোগ পেলে করবো। গান গাওয়াটা ধরে রাখতে চাই; কারণ গানই আমার প্রাণ। আমার কোনো মৌলিক গান নেই। ইচ্ছে আছে মৌলিক গান শুরু করার। সামনে কোনো চ্যালেঞ্জ আছে.? একটি গানের কারণে মানুষের প্রচুর ভালোবাসা পাচ্ছি। আমার এখন সবচেয়ে বড় চ্যালেঞ্জ মানুষের ভালোবাসার মূল্য দেওয়া। আমাকে সবাই যে অবস্থানে নিয়ে গেছে, সেই অবস্থানটা ধরে রাখা আমার জন্য বড় চ্যালেঞ্জ।


প্রতিটি মেয়ে গোপনে গোপনে এই ১০টি কাজ করে থাকে ছেলেরা যদি এটা পড়ে তাহলে বুঝতে পারবে তাদের আশেপাশের মেয়েরাও অনেক অরুচিকর জিনিস করে যেগুলি তারা কোনদিনও বলে না। আমরা মেয়েরা নিজেদেরকে স্রবোতকৃষ্ঠ ভেবে ছেলেদের অগোছালো নোংরা, আরও কি কি না ভাবি, কিন্তু আসলে আমরাও ছেলেদের মতই আচরণ করি! তাই, এখানে একটা তালিকা দেওয়া হল যা মেয়েরা কখনো স্বীকার করে না। ১. গোপনাঙ্গ সেভ করা এবং পরে অনুশোচনা করা। গোপনাঙ্গ সেভ করা অনেক সময়ই সর্বনাশা হয়। অল্পক্ষণের জন্য মসৃণতা পাওয়া গেলেও পরে যা চুলকানির অভিজ্ঞতা হয় তা নরকের মত। তখন আমাদের অনুশোচনা হয়। কিন্তু তাও বয়ফ্রেন্ডের সাথে যাওয়ার আগে আমরা আবার এই ঘটনা ঘটাই। ২. Poop স্টিগমা মেয়ে আর পাবলিক ওয়াসরুম; না কখনো মেনে নেওয়া যায় না। আমরা পাবলিক ওয়াসরুমকে ঘৃণা করি এবং এটাকে কখনো ব্যবহার করার কথা অস্বীকার করি। পাবলিক ওয়াসরুমে পায়খানা করার সময় যদি পাশের ওয়াসরুমে কেউ আসে তাহলে আমরা জোর করে চেপে বসে থাকি যতক্ষণ না পাশের ওয়াসরুমের লোকটি চলে যাচ্ছে। যদিও আমাদের কেউ দেখতে পাচ্ছে না তবুও পুরো ব্যাপারটাই আমাদের কেমন অস্বস্তি হয়। ৩. ব্রা কখনো নোংরা হয় না। এই কথাটি সব মেয়ে বিশ্বাস করে যেঃ ব্রা নোংরা হয় না তাই অনেক দিন না কাঁচলেও চলে যায়। যদিও আমাদের প্রচুর ব্রা আছে তাও ঘুরিয়ে ফিরিয়ে আমরা একই ব্রা বার বার পড়ি। ৪. আমরা চিড়ুনি পরিষ্কার করি না। হ্যাঁ! আমরা পরিষ্কার করি না। আমরা আশা করি চিড়ুনিটা নিজে থেকেই পরিষ্কার হয়ে যাবে এবং সেটা যখন হয় না, তখন আমরা একটা নতুন চিড়ুনি কিনে নিই। ৫. আমরা কাঁদার সময়ও নিজেদের সুন্দর দেখতে চাই। আমরা কাঁদার সময়ও নিজেদের বার বার আয়নাতে দেখার চেষ্ঠা করি আমাদের কি রকম দেখাচ্ছে বোঝার জন্য। হ্যাঁ! আমরা কাঁদার সময় নিজেদের সেলফিও তুলি। ভেজা চোখ, লাল নাকে আমাদের সেক্সি দেখায় না, তবুও। ৬. মেয়েরাও নাক খোটে। আমাদের গা ঘিনঘিন করে যখন কেউ আমাদের সামনে নাক খোটে কিন্তু আমরাও একই কাজ করি। কিন্তু আমরা তা করি সবার অলক্ষ্যে যখন আমাদের আশেপাশে কেউ থাকে না। ৭. আমরা রোজ স্নান করি না। এই পৃথিবীতে কে রোজ স্নান করে? আমাদের হাইজিন অনেক সময়ই প্রশ্নের সামনে পড়ে যখন আমরা বেশ কিছুদিন স্নান না করেই কাটাই, তারপর মাথা পাগলের মত চুলকাই এবং মাথা থেকে বরফের মত খুসকি ঝরে পড়া দেখি তারপর ড্রাই স্যাম্পু ব্যবহার করে নিজেদের সান্তনা দিই। স্নান করার সময় নেই? কোন ব্যাপার নয়, বগল ধুয়ে পারফিউম লাগিয়ে নাও। মুখ ধোয়ার সময় নেই? কোন ব্যাপার নয়, কালকের মেকআপের ওপরই আজ আবার নতুন করে মেক আপ লাগিয়ে নাও। ৮. কাপড় কাছতে গা ঘিনঘিন করে। আমরা সবাই অন্তর্বাস উল্টে বোঝার চেষ্ঠা করি যে কোন বাজে গন্ধ আসছে না তো বা সেটাকে আরও কয়েক বার পড়া যেতে পারে । কিন্তু এত কিছুর পরেও আমরা কাপড় কাছতে চাই না। ৯. যে লোকেদের পচ্ছন্দ নয় তাদের সাথে মনে মনে মিথ্যা ঝগড়া করা। মেয়েরা সাধারণত সবসময় কথা কাটাকাটি করতে তৈরি থাকে। আমরা ঝগড়া হওয়ার অপেক্ষায় থাকি। আমরা কথা কাটাকাটির জন্যই বেঁচে আছি। আর অবশ্যই আমরা ডাইলগ দেওয়ার জন্য সবসময় তৈরি থাকি। আমরা যাকে অপচ্ছন্দ করি তার সাথে ঝগড়া করার কথা আগে থেকেই ভেবে রাখি! আমরা এদের অপমান করার কোন সুযোগই ছাড়ি না। ১০. এই পোস্টা পড়বে, সব কিছু অস্বীকার করবে। আবার পাঁচ মিনিট বাদে নিজের মনে সব কিছু মেনে নেবে। মেয়েরা তোমরা সবাই জানো, আমরা সবাই এই রকম কাজ করে থাকি এবং কখনও তা স্বীকার করি না এবং অদূর ভবিষ্যৎতেও স্বীকার করার কোন ইচ্ছা নেই।
Powered by Blogger.